

প্রকাশ ও সম্পাদকঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়-৫ নবীনগরের সংসদীয় আসনের বিএনপি থেকে প্রাথমিক ভাবে মনোনীত প্রার্থী হিসেবে এডভোকেট এম এ মান্নান কে পেয়ে সাধারণ ভোটারেরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করেছে।
সরজমিনে গিয়ে জানা যায়,দলের দূর্দিনে লড়াই সংগ্রাম করে নবীনগরের বিএনপির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা এডভোকেট মান্নান নিজ উপজেলা বিএনপির ও জেলা বিএনপির দলীয় দায়িত্ব পালন করেছে নিষ্ঠার সাথে । তার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে বরাবরই তিনি খেয়াল রেখেছে তার কোন নেতাকর্মী যেন চাঁদাবাজ,অপকর্ম, দুনীতি পরায়ণ ব্যক্তি না হয়। এতে করে একদিকে যেমন সমাজের ভাল গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিরা তার ছায়াতলে রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছে অপরদিকে সাধারণ ভোটারের আস্থাও অর্জনে সক্ষম হয়েছেন তিনি। বিএনপি থেকে মনোনীত প্রার্থী তালিকায় তার নাম প্রকাশের পর নিরীহ সাধারণ ভোটারেরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে এই ভেবে যে, শান্তির নবীনগরে আর সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজদের হয়রানির স্বীকার হতে হবে না নিরীহ ব্যবসায়ি ও সাধারণ জনগণের যদি তিনি নির্বাচিত হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, মান্নান ভাই বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে নিজের দলের জন্য প্রকাশ্যে গোপনে অনেক প্রোগ্রাম করে নির্যাতিত হয়েছে এবং মামলা হামলার স্বীকারও হয়েছে উনার অনুসারীরাই বেশি। এজন্যই উনার অনুসারীরা অর্থনৈতিক ভাবে অস্বচ্ছল। কিন্তু বিগত সরকারের সাথে আতাত করে নিজেদের বিএনপির কান্ডারি পরিচয় দেয়া অনেকেই বহুতল ভবনের মালিক হয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য যারা এখন নিজেদের বিএনপির কান্ডারি এবং নির্যাতিত মনে করে তারাই কৌশলে জহিরুল হক জরু,মরহুম কাজী বিল্লাল সহ প্রকৃত বিএনপি করা ব্যক্তিদের প্রোগ্রামে গোপন হামলা করেছে এবং থানায় বাদী হয়ে মামলাও করেছে।
এছাড়া নিরীহ সাধারণ ভোটার বিটঘর বাজারে সবজি বিক্রেতা সজিব মিয়া,সাতমোড়ার কৃষক রফিকুল ইসলাম, সলিমগঞ্জের সানোয়ার,বড়াইলের উজ্জ্বল,রতনপুর কানু,কাইতলার শামছুল সহ আরো অনেকে জানান, এডভোকেট এম এ মান্নান ভাই একজন ভদ্র ও আইনজীবী মানুষ, উনি যেহেতু আইন বুজে সেহেতু আমরা সহজে কখনো কোন অপরাধীদ্বারা হয়রানি হব না,এছাড়া বালু খেকো,সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজ মুক্ত থাকতে পারব। আমরা দলমতের ঊর্ধ্বে থেকে সবাই মান্নান ভাইকেই চাই। উনি এমপি হলে আমরা স্বস্তিতে থাকতে পারব।তারেক জিয়া একজন যোগ্য ব্যক্তিকেই মনোনয়ন দিয়েছে আমরা মনে করি।

Reporter Name 