ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাইনবোর্ড মোড়ের জয়নাল মার্কেটে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা চালিয়ে একাধিক বার লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। পতিত সরকারের ঘনিষ্ঠজন হারুনের ফুড ল্যান্ড  বেকারির পন্য উৎপাদন হয় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। বেগম জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির বাতিঘর : আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূইয় জুলাই আন্দোলনে ছাত্রজনতার উপর গুলি চালানো সোহাগ গোপনে থেকে কষছে নাশকতার  ছক। মানব পাচারকারী  আওয়ামী লীগের ধূসর সাদেকুর রহমানের প্রতারণায় নিঃস্ব লোকমান। বহাল তবিয়তে দূর্নীতিবাজ নির্বাহী প্রকৌশলী ও ২ উপ প্রকৌশলী। । বগুড়ার পাউবো এর সদ্য বিদায়ী নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হকের সীমাহীন দূর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ। চাঁদাবাজি,মাদক ব্যবসা,ভূমিদস্যুতা,ত্রাস সৃষ্টির অভিযোগ মুহিত তালুকদারের বিরুদ্ধে। বগুড়ার শেরপুর পৌর প্রকৌশলী এসএম শফিকুলের বিরুদ্ধে উপদেষ্টা সহ বিভিন্ন দপ্তরের অভিযোগ। বগুড়ার পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুই উপ প্রকৌশলী হুমায়ুন ও আসাদুলের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ।
নোটিশ :
আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। আপডেট নিউজ থিমটি ক্রয় করতে আমাদের কল করুন 01732667364। আমাদের আরো নিউজ থিম দেখতে ভিজিট করুন www.themesbazar.com

মানব পাচারকারী  আওয়ামী লীগের ধূসর সাদেকুর রহমানের প্রতারণায় নিঃস্ব লোকমান।

  • নিক্সন হারুন
  • আপডেট সময় ০২:৩১:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৩৬ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ জীবিকার তাগিদে আদব ব্যবসায় পা দিয়ে মানব পাচারকারী আওয়ামী লীগের ধূসর আল সাব্বির ভিসা এন্ড কনসালটেন্সি এর চেয়ারম্যান সাদেকুর রহমানের খপ্পরে পড়ে নিঃস্ব লোকমান।

‎তথ্য সূত্রে জানা যায়, মধ্য বিত্ত পরিবারের ছেলে লোকমান জীবিকার তাগিদে প্রবাসে পাড়ি জমিয়ে সুবিধা করতে না পেরে দেশে চলে আসেন। দেশে এসে নিরুপায় হয়ে সাদেকের খপ্পরে পড়ে আদম ব্যবসায় পা দেয়। এরই সুবাদে নিজ এলাকা থেকে।৬ জন হতদরিদ্র লোকের পাস ও টাকা জমা দেয় ২৪ লাখ টাকা। কিন্তু প্রতারক সাদেকুর সেই সকল টাকা নিয়ে ২ জনকে পাচারের উদ্দেশ্যে বিএমইটির কাগজ না করে কিরগিস্থান পাঠায় এবং একই পন্থায় ৪ জনকে সৌদি আরব পাঠায়। পরে ৬ জনই না খেয়ে জেল হেটে বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে দেশে আসতে হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এই ৬ জন যাত্রী লোকমান কে মারধর করে এমনকি জেলেও দেয়,কিন্তু ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় সাদেকুর।রহমান।

এবিষয়ে প্রবাসে পাড়ি জমাতে আসা নাটোরের ৬ জনের প্রত্যকেই জানায়,আমরা লোকমান কে টাকা দিয়েছি তার কাছ থেকেই টাকা নিব,কেননা আল সাব্বির ট্রাভেলসের সাদেকুর রাজনৈতিক পরিচয়ে আমরা অফিসে গেলে মারধর করে।

এবিষয়ে লোকমান জানান, “আমি না জানি লেখাপড়া না  আছে টাকা পয়সা” এজন্য সাদেকুর রহমানের খপ্পরে পড়ে আজ খেয়ে না খেয়ে  পালিয়ে পালিয়ে জীবন কাটাতে হচ্ছে। সে আওয়ামী লীগ থাকা অবস্থায় আওয়ামী লীগের লোকজনের ক্ষমতা দেখাত। এখন আবার মতিঝিল  রহমানিয়া কমপ্লেক্সের  এর লিফটের ৩ এ বসে ঐ এলাকার বিএনপির নেতাদের ভয় দেখায়। আমি অসহায় হয়ে লোকজনকে বিদেশ পাঠাতে পাসপোর্ট টাকা দিলাম, সে কিছুই ফেরত দিচ্ছে না। আমি সরকারের নিকট এর শাস্তি চাই।

সকল অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে মুঠোফোনে আল সাব্বির ভিসা এন্ড কনসালটেন্সির চেয়ারম্যান সাদেকুর রহমান কে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

সাইনবোর্ড মোড়ের জয়নাল মার্কেটে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা চালিয়ে একাধিক বার লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

মানব পাচারকারী  আওয়ামী লীগের ধূসর সাদেকুর রহমানের প্রতারণায় নিঃস্ব লোকমান।

আপডেট সময় ০২:৩১:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টারঃ জীবিকার তাগিদে আদব ব্যবসায় পা দিয়ে মানব পাচারকারী আওয়ামী লীগের ধূসর আল সাব্বির ভিসা এন্ড কনসালটেন্সি এর চেয়ারম্যান সাদেকুর রহমানের খপ্পরে পড়ে নিঃস্ব লোকমান।

‎তথ্য সূত্রে জানা যায়, মধ্য বিত্ত পরিবারের ছেলে লোকমান জীবিকার তাগিদে প্রবাসে পাড়ি জমিয়ে সুবিধা করতে না পেরে দেশে চলে আসেন। দেশে এসে নিরুপায় হয়ে সাদেকের খপ্পরে পড়ে আদম ব্যবসায় পা দেয়। এরই সুবাদে নিজ এলাকা থেকে।৬ জন হতদরিদ্র লোকের পাস ও টাকা জমা দেয় ২৪ লাখ টাকা। কিন্তু প্রতারক সাদেকুর সেই সকল টাকা নিয়ে ২ জনকে পাচারের উদ্দেশ্যে বিএমইটির কাগজ না করে কিরগিস্থান পাঠায় এবং একই পন্থায় ৪ জনকে সৌদি আরব পাঠায়। পরে ৬ জনই না খেয়ে জেল হেটে বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে দেশে আসতে হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এই ৬ জন যাত্রী লোকমান কে মারধর করে এমনকি জেলেও দেয়,কিন্তু ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় সাদেকুর।রহমান।

এবিষয়ে প্রবাসে পাড়ি জমাতে আসা নাটোরের ৬ জনের প্রত্যকেই জানায়,আমরা লোকমান কে টাকা দিয়েছি তার কাছ থেকেই টাকা নিব,কেননা আল সাব্বির ট্রাভেলসের সাদেকুর রাজনৈতিক পরিচয়ে আমরা অফিসে গেলে মারধর করে।

এবিষয়ে লোকমান জানান, “আমি না জানি লেখাপড়া না  আছে টাকা পয়সা” এজন্য সাদেকুর রহমানের খপ্পরে পড়ে আজ খেয়ে না খেয়ে  পালিয়ে পালিয়ে জীবন কাটাতে হচ্ছে। সে আওয়ামী লীগ থাকা অবস্থায় আওয়ামী লীগের লোকজনের ক্ষমতা দেখাত। এখন আবার মতিঝিল  রহমানিয়া কমপ্লেক্সের  এর লিফটের ৩ এ বসে ঐ এলাকার বিএনপির নেতাদের ভয় দেখায়। আমি অসহায় হয়ে লোকজনকে বিদেশ পাঠাতে পাসপোর্ট টাকা দিলাম, সে কিছুই ফেরত দিচ্ছে না। আমি সরকারের নিকট এর শাস্তি চাই।

সকল অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে মুঠোফোনে আল সাব্বির ভিসা এন্ড কনসালটেন্সির চেয়ারম্যান সাদেকুর রহমান কে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।