ঢাকা , মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সুনামগঞ্জে জনকণ্ঠ ও একুশে টিভির প্রতিনিধি আব্দুস সালামের অফিসে সন্ত্রাসী হামলা লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও লুটপাট, মোবাইল ভাংচুর নেত্রেকোনায় মাদীনাতুল খাইরী আল ইসলামীর উদ্যোগে সংস্থার ৫৮ তম প্রজেক্টের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ফতুল্লা রাজস্ব  সার্কেলের আলোচিত সার্ভেয়ার কাওছারের ঘুষের রাজত্ব চলছে বহাল তবিয়তে। সিলেট জেলা বিএনপির উদ্যোগে শুক্রবার শোকরানা দোয়া মাহফিল নেতাকে ভালবেসে  দলের বিজয় নিশ্চিতে নির্ঘুম রাত কাটানো কামরুল ইসলাম রাজ। নওগাঁ-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সামসুজোহা খানের পক্ষে প্রচারণা ঢাকা ১৭ আসনে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কমিটির সমন্বয়ক ডাবলু ও যুগ্ম সমন্বয়ক রাজ। ঢাকা ১৭ আসনে তারেক রহমানের পক্ষে কামরুল ইসলাম রাজের  জনসংযোগ। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে ঢাকা-১৭ আসনে ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা কামরুল ইসলাম রাজের।  দৈনিক জনকণ্ঠের সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন সাংবাদিক আব্দুস সালাম
নোটিশ :
আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। আপডেট নিউজ থিমটি ক্রয় করতে আমাদের কল করুন 01732667364। আমাদের আরো নিউজ থিম দেখতে ভিজিট করুন www.themesbazar.com

জুলাই আন্দোলনে ছাত্রজনতার উপর গুলি চালানো মামলার আসামি হলেন পতিত আওয়ামী লীগের ধূসর সোহাগ।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:২২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩১৫ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃরাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর বছিলা ব্রীজের পাশে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র জনতার উপর গুলি চালানোর ঘটনায় আসামি হয়েছে ফ্যাসিস্টের ধূসর মোঃ সোহাগ(৪০)।

গত ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদপুর আদালতে মোহাম্মদপুর বছিলার বাটা ডোর ফার্নিচার এর রং মিস্ত্রি নূরে আলম(৩২) বাদী হয়ে মামলাটি করে।এতে শেখ হাসিনা সহ ১৬৪ জনকে আসামি করা হয়। এই মামলায় মোঃ সোহাগ ১০ নাম্বার আসামি,সে নারায়নগঞ্জ জেলা সদরের জামতলার(দোপা পট্টি) সালাম মিয়ার ছেলে। পতিত আওয়ামী লীগের ক্ষমতাধর এমপি শামীম ওসমানের শুটার হিসেবে পরিচিত। মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই সন্ধ্যায় শেখ হাসিনার নির্দেশে মোহাম্মদপুর বছিলা ব্রীজ এলাকায় ছাত্র জনতার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন সময়ে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ,ছাত্রলীগ সহ তাদের ধূসররা ছাত্র জনতার উপর ব্যাপক ভাবে এলোপাতাড়ি গুলি করে এবং দেশি অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় । এতে পরিস্থিতি খারাপ হলে মামলার বাদী তার কর্মরত দোকান বন্ধ করে বছিলা ব্রীজের পূর্বপাশ্বের ব্রীজের ঢালে আসলে তাকে লক্ষ্য করেও সোহাগ সহ অন্যরা গুলি ছুড়ে এতে সে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে, কিন্তু সেখানে তার অবস্থা উন্নতি না হওয়ায় ১৯/০৮/২৪ ইং তারিখে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিডিআরের পিলখানা হাসপাতালে স্থানান্তর করে। সেখানে চিকিৎসা শেষে ১৩/১০/২৪ ইং তারিখ হাসপাতাল ত্যাগ করে। দীর্ঘ সময় চিকিৎসাধীন থাকায় মামলা করতে দেরি হয় বলে জানিয়েছে মামলার বাদী নূরে আলম।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদী পক্ষে আইনজীবী পারভীন আক্তার জানিয়েছে, আদালত ১০৮০/ ২৫ নং মামলাটি আমলে নিয়েছে বর্তমানে পিবিআই তদন্তে রয়েছে যে,এই বাদী এই ঘটনায় আরো কোথাও মামলা করেছে কি না আদালতকে অবগত করার জন্য।পরবর্তী তারিখে আদালত যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুনামগঞ্জে জনকণ্ঠ ও একুশে টিভির প্রতিনিধি আব্দুস সালামের অফিসে সন্ত্রাসী হামলা লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও লুটপাট, মোবাইল ভাংচুর

জুলাই আন্দোলনে ছাত্রজনতার উপর গুলি চালানো মামলার আসামি হলেন পতিত আওয়ামী লীগের ধূসর সোহাগ।

আপডেট সময় ১১:২২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টারঃরাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর বছিলা ব্রীজের পাশে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র জনতার উপর গুলি চালানোর ঘটনায় আসামি হয়েছে ফ্যাসিস্টের ধূসর মোঃ সোহাগ(৪০)।

গত ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদপুর আদালতে মোহাম্মদপুর বছিলার বাটা ডোর ফার্নিচার এর রং মিস্ত্রি নূরে আলম(৩২) বাদী হয়ে মামলাটি করে।এতে শেখ হাসিনা সহ ১৬৪ জনকে আসামি করা হয়। এই মামলায় মোঃ সোহাগ ১০ নাম্বার আসামি,সে নারায়নগঞ্জ জেলা সদরের জামতলার(দোপা পট্টি) সালাম মিয়ার ছেলে। পতিত আওয়ামী লীগের ক্ষমতাধর এমপি শামীম ওসমানের শুটার হিসেবে পরিচিত। মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই সন্ধ্যায় শেখ হাসিনার নির্দেশে মোহাম্মদপুর বছিলা ব্রীজ এলাকায় ছাত্র জনতার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন সময়ে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ,ছাত্রলীগ সহ তাদের ধূসররা ছাত্র জনতার উপর ব্যাপক ভাবে এলোপাতাড়ি গুলি করে এবং দেশি অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় । এতে পরিস্থিতি খারাপ হলে মামলার বাদী তার কর্মরত দোকান বন্ধ করে বছিলা ব্রীজের পূর্বপাশ্বের ব্রীজের ঢালে আসলে তাকে লক্ষ্য করেও সোহাগ সহ অন্যরা গুলি ছুড়ে এতে সে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে, কিন্তু সেখানে তার অবস্থা উন্নতি না হওয়ায় ১৯/০৮/২৪ ইং তারিখে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিডিআরের পিলখানা হাসপাতালে স্থানান্তর করে। সেখানে চিকিৎসা শেষে ১৩/১০/২৪ ইং তারিখ হাসপাতাল ত্যাগ করে। দীর্ঘ সময় চিকিৎসাধীন থাকায় মামলা করতে দেরি হয় বলে জানিয়েছে মামলার বাদী নূরে আলম।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদী পক্ষে আইনজীবী পারভীন আক্তার জানিয়েছে, আদালত ১০৮০/ ২৫ নং মামলাটি আমলে নিয়েছে বর্তমানে পিবিআই তদন্তে রয়েছে যে,এই বাদী এই ঘটনায় আরো কোথাও মামলা করেছে কি না আদালতকে অবগত করার জন্য।পরবর্তী তারিখে আদালত যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।