ঢাকা , বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ফতুল্লা রাজস্ব  সার্কেলের আলোচিত সার্ভেয়ার কাওছারের ঘুষের রাজত্ব চলছে বহাল তবিয়তে। সিলেট জেলা বিএনপির উদ্যোগে শুক্রবার শোকরানা দোয়া মাহফিল নেতাকে ভালবেসে  দলের বিজয় নিশ্চিতে নির্ঘুম রাত কাটানো কামরুল ইসলাম রাজ। নওগাঁ-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সামসুজোহা খানের পক্ষে প্রচারণা ঢাকা ১৭ আসনে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কমিটির সমন্বয়ক ডাবলু ও যুগ্ম সমন্বয়ক রাজ। ঢাকা ১৭ আসনে তারেক রহমানের পক্ষে কামরুল ইসলাম রাজের  জনসংযোগ। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে ঢাকা-১৭ আসনে ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা কামরুল ইসলাম রাজের।  দৈনিক জনকণ্ঠের সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন সাংবাদিক আব্দুস সালাম নবীনগরে চ্যানেল এস-এর বর্ষপূর্তি পালিত ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের পক্ষে গুলশান-২ গোল চত্বরে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা
নোটিশ :
আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। আপডেট নিউজ থিমটি ক্রয় করতে আমাদের কল করুন 01732667364। আমাদের আরো নিউজ থিম দেখতে ভিজিট করুন www.themesbazar.com

ফতুল্লা রাজস্ব  সার্কেলের আলোচিত সার্ভেয়ার কাওছারের ঘুষের রাজত্ব চলছে বহাল তবিয়তে।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১২:০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে কার্টন ভর্তি  ৪২ লাখ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় দুদক কতৃক গ্রেফতার হওয়ায় আলোচিত  সার্ভেয়ার কাওসার আহমেদের ঘুষের রাজত্ব  ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলে চলছে বহাল তবিয়তে।

তথ্য সূত্রে জানা যায়, ঘুষ বাণিজ্যের মাষ্টার মাইন্ড সার্ভেয়ার কাওছার আহমেদ  নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সার্ভেয়ার থাকা কালীন সময়ে ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে কার্টন ভর্তি ৪২ লাখ টাকা পাওয়ার ঘটনায় ঐ সালের ১৮ জানুয়ারি  দুদক কতৃক  গ্রেফতার হয়। গ্রেফতার হয়ে কয়দিন জেল হেঁটে বের হয়ে অদৃশ্য শক্তির ছত্রছায়ায়  বহিষ্কারের পরিবর্তে পুরস্কার স্বরূপ একই জেলার ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলের সার্ভেয়ার হিসেবে নিয়োগ পায়। এরপর থেকে সে তার ঘুষের রাজত্বের প্রসার ঘঠিয়ে নামজারি,মিসকেইস সহ ভূমি সংক্রান্ত সেবা নিতে আসা ভুক্তভোগীদের নিকট থেকে নির্ভয়ে উৎকোচ গ্রহণ করতে থাকে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ভূমি সেবা নিতে আসা মক্কেলদের ঐ অফিসের কর্মচারি হাবিবকে দিয়ে ডেকে ডেকে খোলা মেলা ভাবে মোটা অংকের টাকা অফার করে অনিয়মকে নিয়ম করে দেয়ার কথা বলে। তার অফারে রাজি না হলেই সকল বৈধ কাগজ থাকা সত্ত্বেও সঠিক সেবা না পেয়ে নিরাশ হয়ে ফেরতে হয় ভোক্তভোগীদের।

‎এবিষয়ে ভূঁইঘর মৌজার আর এস ৩৯৮২ দাগের  ১৫ শতাংশ জায়গার ৩৮৬/২৩ মিস কেইস চলা বিবাদী আব্দুর রহিমের পক্ষে উম্মে হাবিবা সুলতানা জনকণ্ঠকে জানান, তারা এই জায়গার মালিক হওয়া সত্ত্বেও,  বেলাল গংদের সিএস,আর এস কিছু না থাকার পরও  ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলের সার্ভেয়ার  কাওছার  মোটা অংকের টাকা বিনিময়ে  ২০২৩ সাল থেকে চলে আসা মিস কেইসের বিষয়টি গোপন রাখে। ২০২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি অন্য একটি বিষয়ে তার স্বামী আবদুল মান্নান ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলে গিয়ে দেখে ৩৮৬/২৩ নং মিস কেইস মোকদ্দমায় সে বিবাদী। তারা বিষয়টি অবগত হলে তড়িঘড়ি করে ২৩ ফেব্রুয়ারী সার্ভেয়ার কাওছার  তাদের পক্ষে রায় করিয়ে দিবে বলে তার স্বামীর নিকট ২০ লক্ষ টাকা দাবি করে ।কিন্তু তাদের কাগজপত্র ঠিক থাকায় টাকা দিতে অস্বীকার করে তারা। এই সুযোগে সার্ভেয়ার কাওছার বাদী পক্ষ বেলাল গংদের থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে  তাদের পক্ষে রায় দিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করে এবং ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলের দায়িত্ব থাকা সহকারী কমিশনার( ভূমি) আসাদুজ্জামান নূর কে দিয়ে বাদীর পক্ষে রায় করিয়ে দেয়।এবং বলে কোন এক জেলা জজের সুপারিশ রয়েছে কিছু করার নেই।

৩৮৬/২৩ মিস কেইস মোকদ্দমা শুনানিতে উম্মে হাবিবা সুলতানার পক্ষের আইনজীবী মোজাম্মেল হক জানান, এই জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতে ২ টি মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও এবং মামলা চলমান ও বাদী পক্ষের সিএস আর এস মালিকানা  নেই বারবার বলার পরও সার্ভেয়ার কাওসারের ইশারায় সহকারী কমিশনার ভূমি আসাদুজ্জামান নূর আমাদের কোন কথা কর্নপাত করেনি এবং আমাদের কাগজপত্র দাখিলের জন্য কোন সুযোগও দেয়নি। এটা আইনের পরিপন্থী আচরণ ছিল।

সকল অভিযোগের বিষয়ে ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলের সার্ভেয়ার কাওছার আহমেদ প্রথমে বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন,আমি ৩৮৬/২৩ মিস কেইস মোকদ্দমার ফাইল দেখে বলতে পারব কোন জেলা জজের সুপারিশ রয়েছে। পরোক্ষণে তার মুঠোফোনের বারবার কল করেও পাওয়া যায়নি তাকে।

এবিষয়ে সরজমিনে গিয়ে  এসিল্যান্ড ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেল কে না পেয়ে তাকে ও এডিসি রাজস্ব নারায়ণগঞ্জ এর মুঠোফোনে ফোন করে না পেয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির নিকট জানতে  চাইলে তিনি জানান,এবিষয়ে তার নিকট লিখিত অভিযোগ পেলে  বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

ফতুল্লা রাজস্ব  সার্কেলের আলোচিত সার্ভেয়ার কাওছারের ঘুষের রাজত্ব চলছে বহাল তবিয়তে।

ফতুল্লা রাজস্ব  সার্কেলের আলোচিত সার্ভেয়ার কাওছারের ঘুষের রাজত্ব চলছে বহাল তবিয়তে।

আপডেট সময় ১২:০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে কার্টন ভর্তি  ৪২ লাখ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় দুদক কতৃক গ্রেফতার হওয়ায় আলোচিত  সার্ভেয়ার কাওসার আহমেদের ঘুষের রাজত্ব  ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলে চলছে বহাল তবিয়তে।

তথ্য সূত্রে জানা যায়, ঘুষ বাণিজ্যের মাষ্টার মাইন্ড সার্ভেয়ার কাওছার আহমেদ  নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সার্ভেয়ার থাকা কালীন সময়ে ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে কার্টন ভর্তি ৪২ লাখ টাকা পাওয়ার ঘটনায় ঐ সালের ১৮ জানুয়ারি  দুদক কতৃক  গ্রেফতার হয়। গ্রেফতার হয়ে কয়দিন জেল হেঁটে বের হয়ে অদৃশ্য শক্তির ছত্রছায়ায়  বহিষ্কারের পরিবর্তে পুরস্কার স্বরূপ একই জেলার ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলের সার্ভেয়ার হিসেবে নিয়োগ পায়। এরপর থেকে সে তার ঘুষের রাজত্বের প্রসার ঘঠিয়ে নামজারি,মিসকেইস সহ ভূমি সংক্রান্ত সেবা নিতে আসা ভুক্তভোগীদের নিকট থেকে নির্ভয়ে উৎকোচ গ্রহণ করতে থাকে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ভূমি সেবা নিতে আসা মক্কেলদের ঐ অফিসের কর্মচারি হাবিবকে দিয়ে ডেকে ডেকে খোলা মেলা ভাবে মোটা অংকের টাকা অফার করে অনিয়মকে নিয়ম করে দেয়ার কথা বলে। তার অফারে রাজি না হলেই সকল বৈধ কাগজ থাকা সত্ত্বেও সঠিক সেবা না পেয়ে নিরাশ হয়ে ফেরতে হয় ভোক্তভোগীদের।

‎এবিষয়ে ভূঁইঘর মৌজার আর এস ৩৯৮২ দাগের  ১৫ শতাংশ জায়গার ৩৮৬/২৩ মিস কেইস চলা বিবাদী আব্দুর রহিমের পক্ষে উম্মে হাবিবা সুলতানা জনকণ্ঠকে জানান, তারা এই জায়গার মালিক হওয়া সত্ত্বেও,  বেলাল গংদের সিএস,আর এস কিছু না থাকার পরও  ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলের সার্ভেয়ার  কাওছার  মোটা অংকের টাকা বিনিময়ে  ২০২৩ সাল থেকে চলে আসা মিস কেইসের বিষয়টি গোপন রাখে। ২০২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি অন্য একটি বিষয়ে তার স্বামী আবদুল মান্নান ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলে গিয়ে দেখে ৩৮৬/২৩ নং মিস কেইস মোকদ্দমায় সে বিবাদী। তারা বিষয়টি অবগত হলে তড়িঘড়ি করে ২৩ ফেব্রুয়ারী সার্ভেয়ার কাওছার  তাদের পক্ষে রায় করিয়ে দিবে বলে তার স্বামীর নিকট ২০ লক্ষ টাকা দাবি করে ।কিন্তু তাদের কাগজপত্র ঠিক থাকায় টাকা দিতে অস্বীকার করে তারা। এই সুযোগে সার্ভেয়ার কাওছার বাদী পক্ষ বেলাল গংদের থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে  তাদের পক্ষে রায় দিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করে এবং ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলের দায়িত্ব থাকা সহকারী কমিশনার( ভূমি) আসাদুজ্জামান নূর কে দিয়ে বাদীর পক্ষে রায় করিয়ে দেয়।এবং বলে কোন এক জেলা জজের সুপারিশ রয়েছে কিছু করার নেই।

৩৮৬/২৩ মিস কেইস মোকদ্দমা শুনানিতে উম্মে হাবিবা সুলতানার পক্ষের আইনজীবী মোজাম্মেল হক জানান, এই জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতে ২ টি মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও এবং মামলা চলমান ও বাদী পক্ষের সিএস আর এস মালিকানা  নেই বারবার বলার পরও সার্ভেয়ার কাওসারের ইশারায় সহকারী কমিশনার ভূমি আসাদুজ্জামান নূর আমাদের কোন কথা কর্নপাত করেনি এবং আমাদের কাগজপত্র দাখিলের জন্য কোন সুযোগও দেয়নি। এটা আইনের পরিপন্থী আচরণ ছিল।

সকল অভিযোগের বিষয়ে ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলের সার্ভেয়ার কাওছার আহমেদ প্রথমে বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন,আমি ৩৮৬/২৩ মিস কেইস মোকদ্দমার ফাইল দেখে বলতে পারব কোন জেলা জজের সুপারিশ রয়েছে। পরোক্ষণে তার মুঠোফোনের বারবার কল করেও পাওয়া যায়নি তাকে।

এবিষয়ে সরজমিনে গিয়ে  এসিল্যান্ড ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেল কে না পেয়ে তাকে ও এডিসি রাজস্ব নারায়ণগঞ্জ এর মুঠোফোনে ফোন করে না পেয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির নিকট জানতে  চাইলে তিনি জানান,এবিষয়ে তার নিকট লিখিত অভিযোগ পেলে  বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।