ঢাকা , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নবীনগরে নৌকায় বসার স্থানকে কেন্দ্র করে নিহত ১ পতিত সরকারের ঘনিষ্ঠজন হারুনের ফুড ল্যান্ড  বেকারির পন্য উৎপাদন হয় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। বেগম জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির বাতিঘর : আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূইয় জুলাই আন্দোলনে ছাত্রজনতার উপর গুলি চালানো সোহাগ গোপনে থেকে কষছে নাশকতার  ছক। মানব পাচারকারী  আওয়ামী লীগের ধূসর সাদেকুর রহমানের প্রতারণায় নিঃস্ব লোকমান। বহাল তবিয়তে দূর্নীতিবাজ নির্বাহী প্রকৌশলী ও ২ উপ প্রকৌশলী। । বগুড়ার পাউবো এর সদ্য বিদায়ী নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হকের সীমাহীন দূর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ। চাঁদাবাজি,মাদক ব্যবসা,ভূমিদস্যুতা,ত্রাস সৃষ্টির অভিযোগ মুহিত তালুকদারের বিরুদ্ধে। বগুড়ার শেরপুর পৌর প্রকৌশলী এসএম শফিকুলের বিরুদ্ধে উপদেষ্টা সহ বিভিন্ন দপ্তরের অভিযোগ। বগুড়ার পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুই উপ প্রকৌশলী হুমায়ুন ও আসাদুলের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ।
নোটিশ :
আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। আপডেট নিউজ থিমটি ক্রয় করতে আমাদের কল করুন 01732667364। আমাদের আরো নিউজ থিম দেখতে ভিজিট করুন www.themesbazar.com

জুলাই আন্দোলনে ছাত্রজনতার উপর গুলি চালানো মামলার আসামি হলেন পতিত আওয়ামী লীগের ধূসর সোহাগ।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:২২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৬১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃরাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর বছিলা ব্রীজের পাশে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র জনতার উপর গুলি চালানোর ঘটনায় আসামি হয়েছে ফ্যাসিস্টের ধূসর মোঃ সোহাগ(৪০)।

গত ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদপুর আদালতে মোহাম্মদপুর বছিলার বাটা ডোর ফার্নিচার এর রং মিস্ত্রি নূরে আলম(৩২) বাদী হয়ে মামলাটি করে।এতে শেখ হাসিনা সহ ১৬৪ জনকে আসামি করা হয়। এই মামলায় মোঃ সোহাগ ১০ নাম্বার আসামি,সে নারায়নগঞ্জ জেলা সদরের জামতলার(দোপা পট্টি) সালাম মিয়ার ছেলে। পতিত আওয়ামী লীগের ক্ষমতাধর এমপি শামীম ওসমানের শুটার হিসেবে পরিচিত। মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই সন্ধ্যায় শেখ হাসিনার নির্দেশে মোহাম্মদপুর বছিলা ব্রীজ এলাকায় ছাত্র জনতার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন সময়ে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ,ছাত্রলীগ সহ তাদের ধূসররা ছাত্র জনতার উপর ব্যাপক ভাবে এলোপাতাড়ি গুলি করে এবং দেশি অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় । এতে পরিস্থিতি খারাপ হলে মামলার বাদী তার কর্মরত দোকান বন্ধ করে বছিলা ব্রীজের পূর্বপাশ্বের ব্রীজের ঢালে আসলে তাকে লক্ষ্য করেও সোহাগ সহ অন্যরা গুলি ছুড়ে এতে সে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে, কিন্তু সেখানে তার অবস্থা উন্নতি না হওয়ায় ১৯/০৮/২৪ ইং তারিখে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিডিআরের পিলখানা হাসপাতালে স্থানান্তর করে। সেখানে চিকিৎসা শেষে ১৩/১০/২৪ ইং তারিখ হাসপাতাল ত্যাগ করে। দীর্ঘ সময় চিকিৎসাধীন থাকায় মামলা করতে দেরি হয় বলে জানিয়েছে মামলার বাদী নূরে আলম।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদী পক্ষে আইনজীবী পারভীন আক্তার জানিয়েছে, আদালত ১০৮০/ ২৫ নং মামলাটি আমলে নিয়েছে বর্তমানে পিবিআই তদন্তে রয়েছে যে,এই বাদী এই ঘটনায় আরো কোথাও মামলা করেছে কি না আদালতকে অবগত করার জন্য।পরবর্তী তারিখে আদালত যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

নবীনগরে নৌকায় বসার স্থানকে কেন্দ্র করে নিহত ১

জুলাই আন্দোলনে ছাত্রজনতার উপর গুলি চালানো মামলার আসামি হলেন পতিত আওয়ামী লীগের ধূসর সোহাগ।

আপডেট সময় ১১:২২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টারঃরাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর বছিলা ব্রীজের পাশে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র জনতার উপর গুলি চালানোর ঘটনায় আসামি হয়েছে ফ্যাসিস্টের ধূসর মোঃ সোহাগ(৪০)।

গত ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদপুর আদালতে মোহাম্মদপুর বছিলার বাটা ডোর ফার্নিচার এর রং মিস্ত্রি নূরে আলম(৩২) বাদী হয়ে মামলাটি করে।এতে শেখ হাসিনা সহ ১৬৪ জনকে আসামি করা হয়। এই মামলায় মোঃ সোহাগ ১০ নাম্বার আসামি,সে নারায়নগঞ্জ জেলা সদরের জামতলার(দোপা পট্টি) সালাম মিয়ার ছেলে। পতিত আওয়ামী লীগের ক্ষমতাধর এমপি শামীম ওসমানের শুটার হিসেবে পরিচিত। মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই সন্ধ্যায় শেখ হাসিনার নির্দেশে মোহাম্মদপুর বছিলা ব্রীজ এলাকায় ছাত্র জনতার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন সময়ে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ,ছাত্রলীগ সহ তাদের ধূসররা ছাত্র জনতার উপর ব্যাপক ভাবে এলোপাতাড়ি গুলি করে এবং দেশি অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় । এতে পরিস্থিতি খারাপ হলে মামলার বাদী তার কর্মরত দোকান বন্ধ করে বছিলা ব্রীজের পূর্বপাশ্বের ব্রীজের ঢালে আসলে তাকে লক্ষ্য করেও সোহাগ সহ অন্যরা গুলি ছুড়ে এতে সে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে, কিন্তু সেখানে তার অবস্থা উন্নতি না হওয়ায় ১৯/০৮/২৪ ইং তারিখে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিডিআরের পিলখানা হাসপাতালে স্থানান্তর করে। সেখানে চিকিৎসা শেষে ১৩/১০/২৪ ইং তারিখ হাসপাতাল ত্যাগ করে। দীর্ঘ সময় চিকিৎসাধীন থাকায় মামলা করতে দেরি হয় বলে জানিয়েছে মামলার বাদী নূরে আলম।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদী পক্ষে আইনজীবী পারভীন আক্তার জানিয়েছে, আদালত ১০৮০/ ২৫ নং মামলাটি আমলে নিয়েছে বর্তমানে পিবিআই তদন্তে রয়েছে যে,এই বাদী এই ঘটনায় আরো কোথাও মামলা করেছে কি না আদালতকে অবগত করার জন্য।পরবর্তী তারিখে আদালত যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।