

স্টাফ রিপোর্টারঃ জীবিকার তাগিদে আদব ব্যবসায় পা দিয়ে মানব পাচারকারী আওয়ামী লীগের ধূসর আল সাব্বির ভিসা এন্ড কনসালটেন্সি এর চেয়ারম্যান সাদেকুর রহমানের খপ্পরে পড়ে নিঃস্ব লোকমান।
তথ্য সূত্রে জানা যায়, মধ্য বিত্ত পরিবারের ছেলে লোকমান জীবিকার তাগিদে প্রবাসে পাড়ি জমিয়ে সুবিধা করতে না পেরে দেশে চলে আসেন। দেশে এসে নিরুপায় হয়ে সাদেকের খপ্পরে পড়ে আদম ব্যবসায় পা দেয়। এরই সুবাদে নিজ এলাকা থেকে।৬ জন হতদরিদ্র লোকের পাস ও টাকা জমা দেয় ২৪ লাখ টাকা। কিন্তু প্রতারক সাদেকুর সেই সকল টাকা নিয়ে ২ জনকে পাচারের উদ্দেশ্যে বিএমইটির কাগজ না করে কিরগিস্থান পাঠায় এবং একই পন্থায় ৪ জনকে সৌদি আরব পাঠায়। পরে ৬ জনই না খেয়ে জেল হেটে বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে দেশে আসতে হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এই ৬ জন যাত্রী লোকমান কে মারধর করে এমনকি জেলেও দেয়,কিন্তু ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় সাদেকুর।রহমান।
এবিষয়ে প্রবাসে পাড়ি জমাতে আসা নাটোরের ৬ জনের প্রত্যকেই জানায়,আমরা লোকমান কে টাকা দিয়েছি তার কাছ থেকেই টাকা নিব,কেননা আল সাব্বির ট্রাভেলসের সাদেকুর রাজনৈতিক পরিচয়ে আমরা অফিসে গেলে মারধর করে।
এবিষয়ে লোকমান জানান, “আমি না জানি লেখাপড়া না আছে টাকা পয়সা” এজন্য সাদেকুর রহমানের খপ্পরে পড়ে আজ খেয়ে না খেয়ে পালিয়ে পালিয়ে জীবন কাটাতে হচ্ছে। সে আওয়ামী লীগ থাকা অবস্থায় আওয়ামী লীগের লোকজনের ক্ষমতা দেখাত। এখন আবার মতিঝিল রহমানিয়া কমপ্লেক্সের এর লিফটের ৩ এ বসে ঐ এলাকার বিএনপির নেতাদের ভয় দেখায়। আমি অসহায় হয়ে লোকজনকে বিদেশ পাঠাতে পাসপোর্ট টাকা দিলাম, সে কিছুই ফেরত দিচ্ছে না। আমি সরকারের নিকট এর শাস্তি চাই।
সকল অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে মুঠোফোনে আল সাব্বির ভিসা এন্ড কনসালটেন্সির চেয়ারম্যান সাদেকুর রহমান কে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।

নিক্সন হারুন 


