ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
টেঁটা যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে নবীনগরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা শিশু মিয়া নিজেকে দাবি করলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক। পতিত সরকারের ঘনিষ্ঠজন হারুনের ফুড ল্যান্ড  বেকারির পন্য উৎপাদন হয় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। বেগম জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির বাতিঘর : আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূইয় জুলাই আন্দোলনে ছাত্রজনতার উপর গুলি চালানো সোহাগ গোপনে থেকে কষছে নাশকতার  ছক। মানব পাচারকারী  আওয়ামী লীগের ধূসর সাদেকুর রহমানের প্রতারণায় নিঃস্ব লোকমান। বহাল তবিয়তে দূর্নীতিবাজ নির্বাহী প্রকৌশলী ও ২ উপ প্রকৌশলী। । বগুড়ার পাউবো এর সদ্য বিদায়ী নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হকের সীমাহীন দূর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ। চাঁদাবাজি,মাদক ব্যবসা,ভূমিদস্যুতা,ত্রাস সৃষ্টির অভিযোগ মুহিত তালুকদারের বিরুদ্ধে। বগুড়ার শেরপুর পৌর প্রকৌশলী এসএম শফিকুলের বিরুদ্ধে উপদেষ্টা সহ বিভিন্ন দপ্তরের অভিযোগ। বগুড়ার পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুই উপ প্রকৌশলী হুমায়ুন ও আসাদুলের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ।
নোটিশ :
আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। আপডেট নিউজ থিমটি ক্রয় করতে আমাদের কল করুন 01732667364। আমাদের আরো নিউজ থিম দেখতে ভিজিট করুন www.themesbazar.com

টেঁটা যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে নবীনগরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা শিশু মিয়া নিজেকে দাবি করলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:১১:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সারাদেশে কোথাও টেঁটা যুদ্ধ হলেই প্রথম নাম আসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার,আর সে জেলার নবীনগরের বিটঘর ইউনিয়নের টিয়ারা গ্রামে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে টেঁটা যুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া আতিকুর রহমান শিশু নিজেকে দাবি করলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক হিসেবে।

‎তথ্যসূত্রে জানা যায়,উপজেলার টিয়ারায় গ্রাম্য আধিপত্য নিয়ে এলাকার শিশু মিয়া ও হোসেন মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ওই বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দিন ধরে উত্তেজনা চলছিল।

‎গত সোমবার রাতে পূর্ববিরোধের জের ধরে স্থানীয় বাছির মেম্বারের বাড়িতে এক পক্ষের হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,পরের দিন গত মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে টিয়ারা বাজারে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে  পড়ে।এতে উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হন। এ সময় বাজারের বেশ কয়কটি দোকানে লুটপাট চালানো হয়। এবং  শিশু মিয়ার লোকজন মাইকে ঘোষণা দিয়ে দফায় দফায় হামলা করে বেশ কয়েকজনকে আহত করে। এছাড়া বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে নারী শিশুদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। শিশু মিয়া সমাজে আগুন লাগিয়েছে,সে কখনো সমাজ সেবক হতে পারে না।

‎ টিয়ারা গ্রামের টেঁটা যুদ্ধের বিষয়ে হোসেন গ্রুপের পক্ষ আহমেদ হোসেন জানান, বাজারে তাদের  লোকজনের ওপর শিশু মিয়া গ্রুপের সশস্ত্র লোকজন প্রথমে অতর্কিত হামলা চালায়।  তখন তারা প্রতিরোধের চেষ্টা করলে শিশু মিয়ার লোকজন  বাজারের কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করে।এবং বেশ কয়েকজনকে আহত করে। পরবর্তীতে মাইকে ঘোষণা দিয়ে শিশু মিয়ার নেতৃত্বে লোকজন টেঁটা নিয়ে মাঠে অবস্থান করলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

‎নিজের বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ মিথ্যা বলে সবাইকে জানিয়ে দিতে আতিকুর রহমান শিশু আজ নিজ এলাকায়  সাংবাদিক সম্মেলন করে নিজেকে দাবি করেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক এবং তিনি ঝগড়া চান না। তিনি ডুবাই থেকে শুধু এলাকার জন্য ভাল কিছু করতে আসেন।

‎এবিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক  একাধিক সুশীল প্রবীণ ব্যক্তি  জানান, নবীনগরে বেশ কয়দিন ধরে শান্তি বিরাজ করছিল,হঠাৎ করে টিয়ারায় শিশু গ্রুপ ও হোসেন গ্রুপ নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে টেঁটা যুদ্ধে মেতেছে, এতে করে সারাদেশে  আমাদের নবীনগরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে, আমরা মনে করি শিশু মিয়া ও হোসেন মিয়া দুইজনকেই গ্রেফতার করা জরুরি। একজন অপরাধী কিভাবে অপরাধ করে প্রকাশ্যে সাংবাদিক সম্মেলন করে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

টেঁটা যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে নবীনগরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা শিশু মিয়া নিজেকে দাবি করলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক।

টেঁটা যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে নবীনগরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা শিশু মিয়া নিজেকে দাবি করলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক।

আপডেট সময় ১১:১১:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সারাদেশে কোথাও টেঁটা যুদ্ধ হলেই প্রথম নাম আসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার,আর সে জেলার নবীনগরের বিটঘর ইউনিয়নের টিয়ারা গ্রামে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে টেঁটা যুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া আতিকুর রহমান শিশু নিজেকে দাবি করলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক হিসেবে।

‎তথ্যসূত্রে জানা যায়,উপজেলার টিয়ারায় গ্রাম্য আধিপত্য নিয়ে এলাকার শিশু মিয়া ও হোসেন মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ওই বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দিন ধরে উত্তেজনা চলছিল।

‎গত সোমবার রাতে পূর্ববিরোধের জের ধরে স্থানীয় বাছির মেম্বারের বাড়িতে এক পক্ষের হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,পরের দিন গত মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে টিয়ারা বাজারে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে  পড়ে।এতে উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হন। এ সময় বাজারের বেশ কয়কটি দোকানে লুটপাট চালানো হয়। এবং  শিশু মিয়ার লোকজন মাইকে ঘোষণা দিয়ে দফায় দফায় হামলা করে বেশ কয়েকজনকে আহত করে। এছাড়া বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে নারী শিশুদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। শিশু মিয়া সমাজে আগুন লাগিয়েছে,সে কখনো সমাজ সেবক হতে পারে না।

‎ টিয়ারা গ্রামের টেঁটা যুদ্ধের বিষয়ে হোসেন গ্রুপের পক্ষ আহমেদ হোসেন জানান, বাজারে তাদের  লোকজনের ওপর শিশু মিয়া গ্রুপের সশস্ত্র লোকজন প্রথমে অতর্কিত হামলা চালায়।  তখন তারা প্রতিরোধের চেষ্টা করলে শিশু মিয়ার লোকজন  বাজারের কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করে।এবং বেশ কয়েকজনকে আহত করে। পরবর্তীতে মাইকে ঘোষণা দিয়ে শিশু মিয়ার নেতৃত্বে লোকজন টেঁটা নিয়ে মাঠে অবস্থান করলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

‎নিজের বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ মিথ্যা বলে সবাইকে জানিয়ে দিতে আতিকুর রহমান শিশু আজ নিজ এলাকায়  সাংবাদিক সম্মেলন করে নিজেকে দাবি করেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক এবং তিনি ঝগড়া চান না। তিনি ডুবাই থেকে শুধু এলাকার জন্য ভাল কিছু করতে আসেন।

‎এবিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক  একাধিক সুশীল প্রবীণ ব্যক্তি  জানান, নবীনগরে বেশ কয়দিন ধরে শান্তি বিরাজ করছিল,হঠাৎ করে টিয়ারায় শিশু গ্রুপ ও হোসেন গ্রুপ নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে টেঁটা যুদ্ধে মেতেছে, এতে করে সারাদেশে  আমাদের নবীনগরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে, আমরা মনে করি শিশু মিয়া ও হোসেন মিয়া দুইজনকেই গ্রেফতার করা জরুরি। একজন অপরাধী কিভাবে অপরাধ করে প্রকাশ্যে সাংবাদিক সম্মেলন করে।