ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নবীনগরে মাদক ব্যবসায়ীদের গডফাদার জুলাই মামলার আসামি সেলিমের বিচার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন টেঁটা যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে নবীনগরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা শিশু মিয়া নিজেকে দাবি করলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক। পতিত সরকারের ঘনিষ্ঠজন হারুনের ফুড ল্যান্ড  বেকারির পন্য উৎপাদন হয় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। বেগম জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির বাতিঘর : আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূইয় জুলাই আন্দোলনে ছাত্রজনতার উপর গুলি চালানো সোহাগ গোপনে থেকে কষছে নাশকতার  ছক। মানব পাচারকারী  আওয়ামী লীগের ধূসর সাদেকুর রহমানের প্রতারণায় নিঃস্ব লোকমান। বহাল তবিয়তে দূর্নীতিবাজ নির্বাহী প্রকৌশলী ও ২ উপ প্রকৌশলী। । বগুড়ার পাউবো এর সদ্য বিদায়ী নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হকের সীমাহীন দূর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ। চাঁদাবাজি,মাদক ব্যবসা,ভূমিদস্যুতা,ত্রাস সৃষ্টির অভিযোগ মুহিত তালুকদারের বিরুদ্ধে। বগুড়ার শেরপুর পৌর প্রকৌশলী এসএম শফিকুলের বিরুদ্ধে উপদেষ্টা সহ বিভিন্ন দপ্তরের অভিযোগ।
নোটিশ :
আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। আপডেট নিউজ থিমটি ক্রয় করতে আমাদের কল করুন 01732667364। আমাদের আরো নিউজ থিম দেখতে ভিজিট করুন www.themesbazar.com
নবীনগরে গুলিতে ডাকাতের ছেলে নিহত , পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনারের ভাই সহ আহত ৩।

নবীনগরে আধিপত্য বিস্তারের জেরে গুলিতে যুবক নিহত, আহত ৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার জেরে দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষের সময় গুলিতে শিপন মিয়া (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুলিবিদ্ধ আরো তিনজনকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

শনিবার রাতে উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের বড়িকান্দি গণি শাহ মাজার বাজারে এ সংঘর্ষ হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকা নেয়ার পথে শিপনের মৃত্যু হয়।

নিহত শিপন মিয়া উপজেলার থোল্লাকান্দি গ্রামের মুন্নাফ মিয়ার ছেলে। অপর আহতরা হলেন এমরান হোসেন মাস্টার (৩৮), দুই হোটেল-কর্মচারী ইয়াছিন (২০) ও নূর আলম (১৮)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাজারের একটি হোটেলে রাত ৯টার দিকে এলাকার ডাকাত মুন্নাফ মিয়া ওরফে মনেক ডাকাতের ছেলে শিপন মিয়া আড্ডা দিচ্ছিলেন। ওইসময় আচমকা একদল অস্ত্রধারী হোটেলটিতে গুলি করতে করতে ঢোকে। ওই সময় শিপন মিয়া (৩০) এবং হোটেলের দুই কর্মচারী ইয়াছিন (২০) ও নূর আলম (১৮) গুলিবিদ্ধ হয়। গুলির আওয়াজে পুরো বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে মুন্নাফ মিয়ার নেতৃত্বে বিক্ষুব্ধ লোকজন সশস্ত্র অবস্থায় গণি শাহ মাজারের অদূরে তালতলায় গিয়ে স্থানীয় এমরান মাস্টারের অফিসে হামলা চালায়। ওই সময় মুন্নাফ মিয়ার সশস্ত্র লোকজনের ছোঁড়া গুলিতে এমরান মাস্টার (৩৮) গুলিবিদ্ধ হন।

জানা গেছে, এমরান মাস্টার ঢাকায় কর্মরত পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) বিল্লাল হোসেনের ছোট ভাই। তিনি শ্যামগ্রাম মোহিনী কিশোর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। তার বাড়ি বড়িকান্দি ইউনিয়নের থোল্লাকান্দি গ্রামে। তিনি গত উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এ ঘটনার পর এক পক্ষের লোকজন প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে রাতেই জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) পিয়াস বসাক ও নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহীনূর ইসলাম ঘটনাস্থলে যান যান।

এদিকে গুলিবিদ্ধ চারজনকে রাতেই ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ঢাকা নেয়ার পথে মৃত্যু হয় শিপনের।

নবীনগর থানার ওসি শাহীনূর ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতভর অভিযান চলবে। এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ শিপন মিয়া মারা গেছে।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

নবীনগরে মাদক ব্যবসায়ীদের গডফাদার জুলাই মামলার আসামি সেলিমের বিচার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

নবীনগরে গুলিতে ডাকাতের ছেলে নিহত , পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনারের ভাই সহ আহত ৩।

নবীনগরে আধিপত্য বিস্তারের জেরে গুলিতে যুবক নিহত, আহত ৩

আপডেট সময় ০৫:১৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার জেরে দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষের সময় গুলিতে শিপন মিয়া (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুলিবিদ্ধ আরো তিনজনকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

শনিবার রাতে উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের বড়িকান্দি গণি শাহ মাজার বাজারে এ সংঘর্ষ হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকা নেয়ার পথে শিপনের মৃত্যু হয়।

নিহত শিপন মিয়া উপজেলার থোল্লাকান্দি গ্রামের মুন্নাফ মিয়ার ছেলে। অপর আহতরা হলেন এমরান হোসেন মাস্টার (৩৮), দুই হোটেল-কর্মচারী ইয়াছিন (২০) ও নূর আলম (১৮)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাজারের একটি হোটেলে রাত ৯টার দিকে এলাকার ডাকাত মুন্নাফ মিয়া ওরফে মনেক ডাকাতের ছেলে শিপন মিয়া আড্ডা দিচ্ছিলেন। ওইসময় আচমকা একদল অস্ত্রধারী হোটেলটিতে গুলি করতে করতে ঢোকে। ওই সময় শিপন মিয়া (৩০) এবং হোটেলের দুই কর্মচারী ইয়াছিন (২০) ও নূর আলম (১৮) গুলিবিদ্ধ হয়। গুলির আওয়াজে পুরো বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে মুন্নাফ মিয়ার নেতৃত্বে বিক্ষুব্ধ লোকজন সশস্ত্র অবস্থায় গণি শাহ মাজারের অদূরে তালতলায় গিয়ে স্থানীয় এমরান মাস্টারের অফিসে হামলা চালায়। ওই সময় মুন্নাফ মিয়ার সশস্ত্র লোকজনের ছোঁড়া গুলিতে এমরান মাস্টার (৩৮) গুলিবিদ্ধ হন।

জানা গেছে, এমরান মাস্টার ঢাকায় কর্মরত পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) বিল্লাল হোসেনের ছোট ভাই। তিনি শ্যামগ্রাম মোহিনী কিশোর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। তার বাড়ি বড়িকান্দি ইউনিয়নের থোল্লাকান্দি গ্রামে। তিনি গত উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এ ঘটনার পর এক পক্ষের লোকজন প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে রাতেই জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) পিয়াস বসাক ও নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহীনূর ইসলাম ঘটনাস্থলে যান যান।

এদিকে গুলিবিদ্ধ চারজনকে রাতেই ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ঢাকা নেয়ার পথে মৃত্যু হয় শিপনের।

নবীনগর থানার ওসি শাহীনূর ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতভর অভিযান চলবে। এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ শিপন মিয়া মারা গেছে।’